
বাংলার সিনেপ্রেমীদের জন্য এক দুর্দান্ত কমেডি ধামাকা! পরিচালক প্রমিতা ভট্টাচার্য নিয়ে এসেছেন Hullor (হুল্লোড়), যা উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার চিরাচরিত দ্বন্দ্বকে হাসির মোড়কে উপস্থাপন করেছে। যদি আপনি একঘেয়েমি কাটাতে বা মন খুলে হাসতে চান, তাহলে এই ছবিটি আপনার জন্য পারফেক্ট। সোহম চক্রবর্তী, শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি, ওম সাহানি এবং দর্শনা বণিক-এর মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের উপস্থিতি এই কমেডিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। এই রিভিউতে আমরা Hullor এর গল্প, কাস্ট এবং কেন এটি আপনার দেখা উচিত তা নিয়ে আলোচনা করব।
Hullor (হুল্লোড়) সিনেমার মূল ভিত্তি হলো কলকাতা শহরের চিরন্তন 'উত্তর' বনাম 'দক্ষিণ' বিভাজন। তবে এটি কোনো কঠিন লড়াই নয়, বরং হাসির ছলে এই দুই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন, স্বভাব এবং কিছু মজার ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে বোনা হয়েছে চিত্রনাট্য। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে দুটি যুবক-যুবতীর জুটি – সোহম চক্রবর্তী ও শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি এবং ওম সাহানি ও দর্শনা বণিক – একজন উত্তর কলকাতার প্রতিনিধি, অন্যজন দক্ষিণ কলকাতার। এদের মধ্যে গড়ে ওঠে এক মিষ্টি সম্পর্ক, যা নিয়ে তৈরি হয় এক হাস্যকর পরিস্থিতি।
একটি দোকানকে কেন্দ্র করে এগোয় গল্প, যেখানে উত্তর ও দক্ষিণের মতপার্থক্যগুলি বারবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এই দোকানটি যেন দুই মেরুর প্রতীক, যেখানে নিত্যদিন মজার ভুল বোঝাবুঝি আর খুনসুটি চলতে থাকে। এর সাথে যোগ হয় এক চতুর জ্যোতিষী (বিশ্বনাথ বসু), যে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে পয়সা কামাতে চায়, এবং একজন দেবভক্ত, যার একমাত্র লক্ষ্য একটি মন্দির তৈরি করা।
এই সমস্ত চরিত্রগুলির পারস্পরিক টক্কর, তাদের মজার সংলাপ এবং উদ্ভট পরিকল্পনাগুলি দর্শকদের হাসির রোল তুলতে বাধ্য করবে। প্রেম, বন্ধুত্ব, ভুল বোঝাবুঝি এবং অবশেষে সবকিছুর একটি আনন্দময় সমাধান – এই সবকিছুর দারুণ মিশেল হলো Hullor। ছবিটি দেখাবে কিভাবে ছোট ছোট ঘটনাও হাস্যরসের জন্ম দিতে পারে এবং কিভাবে ভিন্ন মেরুর মানুষও এক সুতোয় বাঁধা পড়ে যায়।
আর দেরি না করে, আজই দেখে ফেলুন Hullor (হুল্লোড়) এবং হাসির এক নতুন জগতে ডুব দিন! এই ছবিটি আপনার মনকে সতেজ করে তুলবে এবং একরাশ ভালো লাগা এনে দেবে।
